চেয়ারম‍্যানের চেয়ার / Chair of Chairman

আগস্ট ১৮th, ২০১৭|Tags: |

'চেয়ার আমার সামনে নাকি তোমার পিছনে' এই সূত্র যে বা যারা মিলিয়ে ফেলতে পারে তাদের জীবনের হিসাব বদলে যায়, বাস্তবতা পাল্টো যায়, অনেক দ্বন্দ্ব ও ঝামেলা জানালা দিয়ে পালায়।   স‍ত‍্যিই যে চেয়ারে বসে কথা বলে তার জন‍্য চেয়ার পিছনে, আর যে চেয়ারম‍্যানের সঙ্গে কথা বলে তার জন‍্য সামনে। যখন আমরা নিজের অবস্থান পরির্বতন করি তখন চেয়ারের অবস্থানও বদলে যায়।   এসো চেয়ারের অবস্থান বুঝি; জীবন, পরিবাবার ও সমাজ দ্বন্দ

Objective views

আগস্ট ১৬th, ২০১৭|

Objective views and practices are the best and easy way for conflict resolution. It is easy but we can not do mostly for our subjective views and behaviors. Most of the persons of the world are subjective and parental. In the way, subject and object live in restless and unwanted realities. Something subjective view kills our peaceful relationship also. If the object can not understand the subject's love, , even

“মুজিব ভাইয়া যাওরে!….” ১৫ই অাগষ্টে আমার পিতার গান ও কান্না!

আগস্ট ১৫th, ২০১৭|

১৯৭৫ সালে আমার বয়স ৬। তেমন বুঝমান হয়নি। বাবা আমার সঙ্গে বিছানায় শুয়ে ফুপিয়ে ফুপিয়ে কাঁদছেন, আর বেদনায় ভাওইয়া সুরে গাইছিলেন, "মুজিব ভাইয়া যাওরে!...." কেন কাঁদছিলেন, তখন বুঝতে পারিিন! মনে আছে- অবাক হয়ে বাবার অশ্রু মুঝে দিয়েছিলাম। বড় হয়ে জেনেছি, দিনটি ছিল ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট! স্বপরিবারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে হত‍্যার দিন। আমার পিতা অফিসিয়ালি মুক্তিযোদ্ধা কিংবা আওয়ামীলীগের নেতা বা কর্মী ছিলেন না। আমি যখন স্কুলে পড়ি, তখন বাবাকে জিজ্ঞাসা

Unity saving the people

আগস্ট ১৪th, ২০১৭|Tags: |

Children always look the unity of father and mother for the embodiment of love in the family. It brings the joy and happiness in the life of children and parents both; which expand to the society as well. - Unity saving the people. unity saving the family, unity saving the nation. Photo: Daughter Anika at the meeting point of Ko-sado and. O-Sado mountain ranges in the Japan sea.

এসো শত্রুকে ভালোবাসি

আগস্ট ১২th, ২০১৭|

আমরা জনি, পৃথিবীর প্রথম এটম হত‍্যাযজ্ঞের ঘটনা জাপানে ঘটেছে! মাত্র দুটো বোমাতেই আম্রিকা প্রায় ৩ লক্ষ জাপানি হত‍্যা করেছিল! জাপানিরা সেই করুণ ইতিহাস ভুলে গেছে। শত্রু আম্রিকাকে ক্ষমা করে, বন্ধু বানিয়ে নিয়েছে। হিরোসীমা-নাগাশাকি কোন দিবসেই জাপানি টিভিতে জ্বালাময়ী টকশো হয় না, পত্রিকাগুলোতে প্রকাশিত হয় না ঘৃণার ক্রোড়পত্র!   শত্রু আম্রিকাকে শুধু জাপানি সরকার না, অধিকাংশ জনগন এখন পছন্দ করে, মিত্র মনেকরে! গণতন্ত্র ও উন্নয়নের রোল মডেল হিসাবে রাজতন্ত্রের পাশাপাশি মার্কিন

‘ভালো লাগে না!’ – একটি রোগের নাম!

আগস্ট ৭th, ২০১৭|

ইদানিং জাপান সহ উত্তর বিশ্বের দেশগুলোতে 'ভালো লাগে না!' এই রোগটা বেশ রেড়ে গেছে। এর কারণে শিশু হত‍্যা, আত্নহনন, অকারণে বিবাহ বিচ্ছেদ, বিরোধ, বেহেমিয়ানগিরি, নেশাবাজি, কাজ-কর্মে অনাগ্র, অযথা অভিযোগ, স্বেচ্ছায় দারিদ্রতা গ্রহন অাশঙ্কাজনক ভাবে দ্রুত বাড়ছে! এর মুল কারণ ব‍্যাখ‍্যায় জাপানি টিভিতে মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন - একাকিত্ব, প্রেম অভাব, একাধিক পার্টনারের সঙ্গে লটর-বটর, অন‍্যকে বুঝতে না পারা, বাস্তবতাকে মেনে না নেয়া, নিজের অজন্তে স্বার্থপরতার চরম চর্চ্চা করা, সামাজিক ও মানসিক সম্পর্কের

ব্রাজিল যাত্রা

আগস্ট ৫th, ২০১৭|

  ২০০০ থেকে ২০১১ পর্যন্ত ছিল আমার বিদেশযাত্রার বছর। এমনও দিন গেছে, প্রতিমাসে কয়েকবার বিদেশ যেতে হয়েছে, যতনা কাজের কারণে - তার চেয়ে বেশী ছিল ফুটাঙ্গি দেখানোর জন‍্য।   নিজের টাকা তেমন লাগেনি। গরীব দেশের মিডিয়া, অধিকার ও উন্নয়নকর্মী হওয়ার কারণে দাওয়াতের সঙ্গে টিকেট, হোটেল বুকিং আর ছোট লেকচারের বিনিময়ে ডলারও পেয়ে যেতাম। বিষয়টা বেশ ভালোই লাগতো। নিজেকে এলিট এলিট মনে হতো!   প্রায় ২০টি দেশে অহরহ ভ্রমনের মাঝে ব্রাজিল

সো‍স‍্যাল মিডিয়ায় সফলতার মহাসুত্র

আগস্ট ২nd, ২০১৭|

 সোসাল মিডিয়ার দাপটের যুগে - কাজ ও আনন্দের সময় বের করা ৭ মহাসুত্র   ১. অতি আবেগের প্রশমনের জন‍্য শুধু ব‍্যস্ত সময়ে ফেইজবুক ও সোসাল মিডিয়া ব‍্যবহার করা ( দুপুরে হলে ভালো! সকালে ও রাতে বা ঘুমানো আগে পরিতাজ‍্য ! এতে কাজ ও ঘুম হারাম হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে!)। ২. অপরিচিত ও ভারচুয়াল বন্ধুদের আপডেট না পড়া, লাইক-কমেন্টস ও শেয়ার না দেয়া! ৩. প্রয়োজন ছাড়া অন‍্যের টাইমলাইনে ঢু না মারা!

বিখ‍্যাতের প্রতি ভালোবাসা!

জুলাই ৩১st, ২০১৭|Tags: |

গতকাল টিভিতে ক‍্যন্সারে মৃত‍্য হয়েছে এমন একজনের জীবরের উপর রিপোট দেখাচ্ছিল। আমি কাজে মগ্ন ছিলাম। হঠাৎ ক‍্যান্সারের কথা শুনে, আমি বউকে জিজ্ঞাসার করলাম - কে ইন্তেকাল করেছেন? বিখ‍্যাত কেউ?   আমার প্রশ্ন শুনে, বউ নীরব-নিথর! হতভম্ব দৃষ্টিতে অশ্রু ছলছল আবেগে বলল, "বিখ‍্যাতরাই কি মানুষ, অন‍্যরা কি মানুষ না? আপনার পরিবারে কে সবচেয়ে বিখ‍্যাত মানুষ ? আপনি, আমি নাকি অন‍্য কোন মহামানব?.."   কথাটা আমার লেগেছে।   আসলে এক অখ‍্যাত সদ‍্যপ্রায়াত